
চিনের একটি গবেষক দল এর আগেই জানিয়েছিল যে ভারতে জুনের মাঝামাঝি সময় থেকেই প্রতিদিন ১৫ হাজার জন করোনায় আক্রান্ত হবেন। তাদের সংখ্যাতত্ত্ব ও পরিসংখ্যানের হিসাবের খানিকটা কাছেই রয়েছে বর্তমানে ভারতের পরিস্থিতি। এদিনও শেষ ২৪ ঘণ্টায় করোনা আক্রান্তের বিচারে ভারত নতুন মাইলস্টোন পেল।
কোনপথে করোনা পরিস্থিতি?
এদিন ভারতে নতুন করে ৯,৩০৪ জনের দেহে মিলেছে করোনা সংক্রমণ। গত ২৪ ঘণ্টায় ২৬০ জনের করোনার জেরে মৃত্যু হয়েছে। দেশে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ২,১৬,৯১৯ জন। যার মধ্যে ১ লাখের বেশি মানুষ করোনা আক্রান্ত গুরুতরভাবে।
সুস্থতা ও মৃত্যুর সংখ্যা
ভারতে করোনার জেরে সুস্থ হয়েছেন ১,০৪,১০৭ জন। অন্যদিকে, মৃতের সংখ্যা এখনও পর্যন্ত ৬,০৭৫ জন। যেভাবে আক্রান্ত বাড়ছে দেশে, সেই পরিস্থিতিতে এমন পরিসংখ্যান খুব একটা স্বস্তিদায়ক নয়।
১৫ দিনে ১ লাখ বেড়েছে সংক্রমণ
সাম্প্রতিক পরিসংখ্যান বলছে মাত্র ১৫ দিনে দেশে প্রায় ১ লাখ করোনা কেস আরও বেড়েছে। ১৮ মে যে ভারতের করোনা সংক্রমণের সংখ্যা ছিল ১ লাখ। যা ৩ জুন হয়ে গিয়েছে ২ লাখ। ৩০ জানুয়ারি কেরল প্রথম করোনা আক্রান্তের খবর পেশ করে। সেই রাজ্যেই করোনার সংক্রমণ প্রথমে পাওয়া যায়। তবে নিপা ভাইরাসের সঙ্গে জুঝে যাওয়া কেরল করোনার সময় পরিস্থিতি অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে নিয়ে ফেলে যা মহারাষ্ট্র করতে পারেনি।
জুনের মাঝ বরাবর কী ঘটবে?
চিনের ল্যানঝাউ বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকদের দাবি, জুন মাসের মাঝামাঝি সময় থেকে দিনে ১৫,০০০ জন করোনা আক্রান্ত হবেন ভারতে। যে হারে ভারতে করোনার সংক্রমণ ছড়িয়েছে, তাতে এভাবেই এগিয়ে যাবে দেশের করোনা পরিস্থিতি। মূলত দেশের কোয়ারেন্টাইনের পদ্ধতি, ভৌগলিক অবস্থান, জনসংখ্যার আধিক্য এবং লকডাউনের ঘরানার ভিত্তিততে এই রিপোর্ট প্রকাশ্যে আসে।
গত আট বছরে ভারতে বিভিন্ন কারণে মোট ৭৫০টি বাঘের মৃত্যু হয়েছে, শীর্ষে মধ্যপ্রদেশ
এরকম ধরনের আরো খবর জানতে চোখ রাখুন উলুবেড়িয়া টিভি।

এখানে আপনার মন্তব্য রেখে যান