
মুখ্যমন্ত্রীর কথায়, করোনা যেহেতু এখনই যাবে বলে মনে হচ্ছে না। প্রধামমন্ত্রীও স্বয়ং এ কথা বলেছেন। তাই আমরা তিনমাসের জন্য শর্টটার্ম প্ল্যান করছি। করোনা পরিস্থিতির মধ্যেই আমরা জোনগুলিকে আরও ভেঙে ব্যবস্থা নিচ্ছি। পুলিশকে এই মর্মে একটা প্রাথমিক গাইডলাইন দেওয়া হয়েছে। তাঁরা সেই গাইডলাইন মতে পরিকল্পনা করবে, তারপরই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
মুখ্যমন্ত্রী জানান রেড জোনকে তিনটি জোনে বাগ করা হয়েছে। রোড জোন এ-তে কিছুই করা যাবে না। রেড জোন বি-তে সামাজিক দূরত্ব মানলে ছাড় দেওয়া হবে। রেড জোন সি-তেও ছাড়া দেওয়া হবে। পুলিশ ঠেক করবে কোন জোনে কী ছাড় দেওয়া হবে। তেমনি গ্রিন জোন জেলার মধ্যে বাস-ট্যাক্সি চলতে পারবে।

বাংলায় প্রায় ১ লক্ষেরও বেশি মানুষ ঢুকে গিয়েছেন। প্রচুর বাস ঢুকেছে, ছোট গাড়ি ঢুকেছে, হাঁটা পথেও অনেকে এসেছে। এখন ট্রেনও আসছে। আমরা সবাইকে ফেরাব। তবে ধাপে ধাপে ফেরানো হবে। কেননা একসঙ্গে সবাইকে ফেরালে সমস্যা বাড়বে। সবাইকে স্ক্রিনিং করে তারপর ফেরানোর বন্দোবস্ত করতে হচ্ছে। ইতিমধ্যে ৯টি ট্রেনের একটি এসে পৌঁছেছে। বাকি ট্রেনগুলিও আসছে। আরও কিছু ট্রেন চালানো হবে।
তাঁত হাট, খাদি বাজার, বাংলা হাট খোলার সিদ্ধান্ত নিল সরকার। বিড়ি-চা শিল্পে ৫০ শতাংশ কর্মীকে নিয়ে কাজ করা যাবে। ১১ লক্ষ কিষাণ ক্রেডিট কার্ড সক্রিয় করা হচ্ছে। ধীরে ধীরে রাজ্যে কাজের পরিবেশ স্বাভাবিক করার চেষ্টা করছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, রাজনৈতিক লড়াই করার সময় নয় এখন। এখ জীবন-জীবিকার সঙ্গে লড়াই করতে হবে।
বিরোধীদের উদ্দেশ্যে মমতা বলেন, এখনও রাজনীতি করার অনেক সময় আছে। এটা মে মাস। ২০২১-এর মে মাসে রাজ্যে বিধানসভার ভোট। ফলে এখনও এক বছর সময় আছে। এত তাড়াতাড়ি কীসের। সময় আসুক রাজনীতি করবেন। প্লিজ, এখন রাজনীতি করবেন না।
কোভিডে কি হিন্দু মুসলমান আছে। যারা এসব করছেন, একটু ভাবুন। করোনা সংক্রমমে কোনও হিন্দু মুসলমান নেই। অন্য রোগেও যেমন হিন্দু-মুসলমান ভেদাভেদ করে না, তেমনই এই কোভিড। তাই অযথা সস্তার রাজনীতি করার জন্য হিন্দু-মুসলমান করবেন না।
এখানে আপনার মন্তব্য রেখে যান