মেলবোর্ন: মহাকাশে একের পর এক মহাজাগতিক ঘটনা ঘটেই চলেছে। কিছুদিন আগেই উল্কাপাতের ঘটনা দেখা গিয়েছে। দেখা গিয়েছে সুপারমুনও। এবার আরও এক মহাজাগতিক দৃশ্যের সাক্ষী থাকতে চলেছে বিশ্ব।

ধূমকেতু ‘সোয়ান’ সদ্য চলে গিয়েছে পৃথিবীর পাশ দিয়ে। কিন্তু তার ১১ মিলিয়ন মাইল লম্বা লেজ এখনও দেখা যাচ্ছে পৃথিবী থেকে। খালি চোখেই দেখা যাবে সেই দৃশ্য। এমনটাই জানিয়েছেন জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা।

গত এপ্রিলেই অস্ট্রেলিয়ার মহাকাশবিদ মাইকেল মাতিয়াজো এই ধূমকেতু আবিষ্কার করেন। এটি পৃথিবীর পাশ দিয়ে চলে গিয়েছে, কিন্তু যতই সূর্যের কাছে যাচ্ছে, ততই তার ঔজ্জ্বল্য বাড়ছে। দক্ষিণ হেমিস্ফেয়ার থেকে সবথেকে ভালো দেখা যাবে সেই দৃশ্য। তবে উত্তর হেমিস্ফেয়ার থেকেও দেখা যাবে। ভোরে সূর্য ওঠার ঠিক আগেই এই দৃশ্য সবথেকে স্পষ্টভাবে দেখা যাবে।

ধূমকেতু সোয়ান এখন পৃথিবী থেকে ৫৩ মাইল দূরে আছে। একটা সবুজ বলের মত ওই ধূমকেতু ১১,৫৯৭ বছর পর পর দেখা যায়। বর্তমানে সেটি দক্ষিণ থেকে উত্তরের আকাশের দিকে যাচ্ছে। মে মাসের শেষে এটিএক আরও উজ্জ্বল রূপে দেখা যাবে। ২৭ মে এটি সূর্যের একেবারে কাছাকাছি পৌঁছে যাবে।

১৫ মে থেকে ধূমকেতু আকাশে দেখা যেতে শুরু করেছে। আরও ২-৩ দিন দেখা যাবে এটি। বাইনোকুলার বা ছোট টেলিস্কোপে এটি আরও স্পষ্টভাবে দেখা যাবে।

সম্প্রতি চাঁদের খুব কাছাকাছি মঙ্গলকে দেখা গিয়েছে। সেটাই ছিল এক বিরল দৃশ্য। তার কয়েকদিন আগে দেখা যায়, উল্কাপাতের দৃশ্য।

হ্যালির ধূমকেতুর কিছু অংশ থেকেই তৈরি হয়েছিল ‘এটা এ্যাকুয়ার ইট’। আর তার থেকেই খসে পড়তে দেখা যায় একের পরে এক উল্কা। প্রত্যেক বছরই এপ্রিল মাসের মাঝামাঝি থেকে মে মাসের শেষের মধ্যে এই দৃশ্য দেখা যায়। এবারও তার ব্যতিক্রম নয়।

প্রথমদিকে ঘণ্টায় ১০ থেকে ১২ টি উল্কাপাত হতে দেখা যায়, পরে সেই সংখ্যাটা গিয়ে দাঁড়ায় ৪০-এ।

তাই এইরকম মহাজাগতিক দৃশ্য শুধু আপনি না যাতে সকলেই দেখতে পান তারই জন্য খবরটি শেয়ারের মাধ্যমে আপনার বন্ধুদের এবং আপনার পরিজনদের সাথে শেয়ার করুন।

এরকম ধরনের আরও খবর জানতে সক্ষম উলবেড়িয়া টিভিরকম ধরণের আরো খবর জানতে সক্ষম উলুবেড়িয়া টিভি

এখানে আপনার মন্তব্য রেখে যান

Design a site like this with WordPress.com
শুরু করুন